
দেশে শিশুদের টিকার ঘাটতি ও টিকাদান কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে উদ্বেগ আরও গভীর হয়েছে। ইউনিসেফের বিদায়ী প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্সের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
তিনি জানান, টিকা সরবরাহে জটিলতা এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে প্রশাসনকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, ❝টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য রোগ কখনো হঠাৎ করে মহামারিতে রূপ নেয় না; দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও বিলম্বই বড় সংকট তৈরি করে।❞
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ধীরগতি এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাবে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এতে হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচিতে সামান্য ব্যাঘাতও শিশুস্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তাদের মতে, এই সংকট দ্রুত মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ, স্বচ্ছতা এবং কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।
এদিকে নাগরিক সমাজ ও সচেতন মহলেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, একাধিক আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তার পরও কেন দৃশ্যমান কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে টিকা সংকট দ্রুত সমাধান করা এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জগুলোর একটি।
তবে এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।